Showing posts with label study. Show all posts
Showing posts with label study. Show all posts

Thursday, January 30, 2020

প্রত্যাশা শেষ হলে শান্তি শুরু হয় || peace begins when expectation ends


Image result for expectation"



এক্সপেক্টশন ব্যপারটাই আমার অপছন্দের!
একটা মানুষ আরেকটা মানুষের অনুমতি ব্যতিত তার কাছে কিছু একটা প্রত্যাশা করার পর ঠকে গেলে, সেই সমস্যাটা আসলে কার?
আমি একটা মানুষকে ভালোবাসি! আমি প্রত্যাশা করি, সে আমার যত্ন নিবে!
তিন বেলা খাওয়ার কথা মনে করিয়ে দিবে! ভীষন জ্বর হলে, মাথায় জলপট্টি দিয়ে দিবে!
ঘুমানোর আগে চুলে বিলি কেটে দিবে! আমাকেই সে তার একমাত্র প্রায়োরিটি বানাবে! আমার দিকে তাকিয়েই শুধু মুগ্ধ হবে!
তারপর একদিন আমার খেয়াল হয়,
আমি আসলে কিছুই পাচ্ছি না! আমার এক্সপেক্টেশনে ফ্রাসট্রাশন চলে আসে!
আমি কষ্ট পাই! আমার ঘুম হয়না! আমার মরে যেতে ইচ্ছে হয়!
আমার নিজেরে অসহায় লাগে! কান্না পায়! নিঃসঙ্গ মনে হয়!
এই সমস্যাটা কি আমি নিজেই সৃষ্টি করিনি?
আমাদের দুখঃ, কষ্ট, যন্ত্রনা, হতাসা, অপ্রাপ্তি সবকিছুই আসলে সৃষ্টি হয় প্রত্যাশা থেকে!
এক সময় আমি খুব সহজে মানুষকে বিশ্বাস করতাম! দু দিনের বন্ধুত্ব, তিন দিনের ভালোবাসায় আমার মনে হতো,
তারা আমার জন্য জীবনও দিয়ে দিবে!
তারপর একসময় টের পেলাম,
পৃথিবীতে কেউ কারো প্রত্যাশা পূরণের জন্য জন্ম নেয়নি! কারো জন্য কেউ বাঁচে না! প্রত্যেকটা মানুষ তার নিজের জন্য বাঁচে!
আমি যদি ভেবে থাকি, আমার তীব্র রকমের মন খারাপে কেউ আমার মাথায় হাত রেখে সান্ত্বনা দিবে! আমি যদি কল্পনা করি, আমার জ্বর হলে কেউ জলপট্টি দিয়ে দিবে, তাহলে এইসব প্রত্যাশা পূরন না হওয়ার দায়বদ্ধতা একান্তই আমার!
বিয়ের পর আমার স্বামী আমার দিকে মনোযোগ দেয়না! আমার স্ত্রী আমার যত্ন নেয়না!
আমার সন্তান আমার সমস্যা বুঝেনা! এতে আমি কষ্ট পাই!
আমার অভিযোগ জন্মায়! আমি অভিমান করি! আমার দাম্পত্য কলহ বাড়ে!
প্রতিবছর আমার জন্মদিনে আমি এমন একটা মানুষের উইস এর জন্য অপেক্ষা করি, যে কিনা জন্মদিনটাই মনে রাখে না!
এই শোকে আমার জন্মদিনের আনন্দটাই নষ্ট হয়ে যায়! আজকাল ওসব উইস প্রত্যাশাই করিনা, মন খারাপ ও হয়না!
প্রত্যাশার চেয়ে জঘন্য কোনকিছু পৃথিবীতে নেই!
তবুও, দিনশেষে মানুষ আসলে মানুষের প্রতি একটা এক্সপেক্টেশন রাখবেই!
এটাকে পরিবর্তন করার কোন সুযোগ নেই!
যেদিন আমরা কারো কাছেই কোন প্রত্যাশা করবো না, সেদিন ভালো থাকবো!
ঘুমাতে পারবো! বেঁচে থাকতে ইচ্ছে হবে! অভিযোগ থাকবেনা! অভিমান জন্মাবে না!
জীবনটাকে বিশ্রী রকমের সুন্দর মনে হবে!
কাউকে ভালোবাসলে ঠিক আছে! পাশাপাশি তার কাছ থেকে ভালোবাসা পাওয়ার প্রত্যাশা করে ফেললেই কষ্ট বাড়ে!
ব্যথারা বড় হয়!
হৃদপিন্ডে ক্ষতের জন্ম নেয়! অনিদ্রা বাসা বাঁধে চোখে! মাঝরাতে কান্না পায়!
ভালোবাসতে হয়, স্বার্থহীন হয়ে!
ভালোবেসে কিছু প্রত্যাশা করতে নেই!
প্রত্যাশা ছাড়াই কিছু পেয়ে গেলে, সেটা বোনাস! বোনাস পেলে ভালো, না পেলেও কষ্ট হবেনা!


Tuesday, December 24, 2019

স্টাডি অ্যাব্রোট ইন চায়না , অর নট !?

                                    স্টাডি চায়না সত্য মিথ্যার বেড়াজাল 

 




জ্বী জনাব, চীনের পড়ালেখার মান ভালো না। বাংলাদেশের অলি গলিতে যেসব প্রাইভেট ভার্সিটি

  আছে,চীনের পাবলিক ভার্সিটির মানও এইটার চেয়ে খারাপ- ঠিক ধরসেন। এইটা আলাদা বিষয়

  যে এখানে একটা ডিপার্টমেন্ট বিল্ডিং দিয়া বাংলাদেশে টা প্রাইভেট ভার্সিটি খোলা যাবে। আর

  এখানে একটা ফ্যাকাল্টির গবেষণার বাজেট ঢাকা ভার্সিটির কয়েকগুণ-সেটাও না হয় হিসাবের

  বাইরেই থাক। (সব প্রাইভেট ভার্সিটির কথা বলি নাই। ত্যানা না প্যাচাইলে ভালো।)

জ্বী জনাব, চীন প্রযুক্তিগত দিক দিয়া বাংলাদেশেরও পিছনে। এই কারণেই আমাদের দেশের ভালো

  ইঞ্জিনিয়ারগুলা সুযোগ পাইলেই বাইরের দেশে যায় মাস্টার্স করতে, আর ফেরে না। কারণ ,

 জানেই যে ফিরলেই আইসা সোনালী ব্যাংকে চাকরির পরীক্ষা দিতে হইবো, টেকনোলজিক্যাল

  কোনো প্রজেক্ট নিয়া কোনো কোম্পানি তো নাইই বাংলাদেশে। আর অপরদিকে, আপনি যে

IPhone কিনসেন প্রায় লাখ টাকার কাছে খরচ কইরা, সেইটার কভার একটূ খুইলা ব্যাটারিটা তুইলা দেইখেন। :P
 


আপনি চীনে পড়তে আসবেন শুনে পাড়ার বিশিষ্ট "বিজ্ঞানমনস্ক" টং দোকানদার আক্কাস

  কাকা কইয়া দিসে "চীনে আবার কেউ পড়তে যায় নাকি? চীন তো আমার দেড়শ টাকা দামের

  মোবাইলটাও ঠিকমত বানাইতে পারে না! (সিরিয়াসলি, এই টাকার মোবাইলের কাছে আপনি

  কোয়ালিটি আশা করেন:O )" এবং এই শুনে আপনি চিন্তায় পড়ে গেছেন যে আসলেই

  আপনি পড়তে আসবেন কি না, "তার চেয়ে বরং "মফিজউদ্দিন' অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি"

ভালো মনে হইতেসে-এই যদি হয় আপনার চিন্তার লেভেল, তাইলে আপনি আইসেন না, কিন্তু

  আরেকজন চীনে পড়তে আসছে শুনে তাকে আন্ডারএস্টিমেট করেন কেন? আপনি ভালো ছাত্র , তাই?

বর্তমান যুগে কোনো জায়গারই পড়ালেখার কোনো দাম নাই। দাম আছে আপনার জ্ঞানের,

 আপনার চিন্তার ক্ষমতার, আপনার পরিশ্রমের। আর আপনার এই গুণগুলা এনকারেজ করার

  সুযোগ এবং ইচ্ছাটা এখানে আছে, সুযোগটা কাজে লাগিয়ে দেখবেন কি না সেটা তো আপনার

  ব্যাপার। আপনি এখানে এসে না পড়ে কোনোমতে পাশ করে ফিরে গিয়ে বলবেন-"ধুর ! চীনের

  ডিগ্রি কোনো ডিগ্রি হইলো নাকি?" নাকি আসলেই এখানে যে কেয়ারটা আপনি পাবেন সেটা

   কাজে লাগাবেন- সেটা একান্তই আপনি জানেন, আমি তো জানিনা।

কাজেই প্লিজ, "ভাইয়া আমি অমুক জায়গায় পড়তেসি অলরেডি, আমার কি চীনে আসা ঠিক

  হবে? ওখানে কি পড়ালেখা হয়? ওখানে থেকে পড়ে কি আমেরিকা কানাডা যাওয়া যায়?" এইসব
 
  প্রশ্ন করে আমার মাথা খাইয়েন না। নিজের কমনসেন্স ইউজ করেন।
 
আর শেষ কথা, পৃথিবীর কোন দেশের কোন ভার্সিটি মানুষের জীবন সিকিওর করার গ্যারান্টি দেয়,
আমারে ঠিকানাটা দেন একটূ। আমার ভবিষ্যত বড়ই আন্ধার। একটূ যাইয়া সিকিওর করতাম লাইফটা ...

         




(সংগৃহীত)