Showing posts with label Love. Show all posts
Showing posts with label Love. Show all posts

Monday, February 3, 2020

সেল্ফ এপ্রিশিয়েশান ডিপেন্ড অন ইউরসেল্ফ অর আদার্স!


 Image result for self appreciation"

সেল্ফ এপ্রিসিয়েশনটা জরুরী!
আমাদের চারিদিকে অসুস্থ মানসিকতা মগজে ধারন করা নেগেটিভ চিন্তা ভাবনার মানুষে পরিপূর্ণ!
এরা তোমার সবকিছুতে না বলবে! নেগেটিভ যুক্তি দাঁড় করিয়ে দিবে!
এটা করো না, ওটা করো না! এভাবে করলে এরকম হবে, ওরকম হবে!
তোমাকে তোমার নিজের ভেতরের পজিটিভ মেসেজটা নিতে হবে!
নিজের বুদ্ধিতে মরে গেলেও একটা সুখ থাকে। বলা যায়, আমার জীবনের ভুলের জন্য আমি নিজেই দায়ী! অন্যের বুদ্ধিতে অর্জনেও সুখ নেই!
জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিতে হলে, নিজের মস্তিষ্কের আউটপুটটাকে রিসিভ করো!
ভুল হলে ভুল, সঠিক হলে সঠিক!
পাশের বাসার ভাবীর কথার গুরুত্ব দিতে দিতে, তোমার নিজের সাথে নিজের দূরত্ব বেড়ে যাবে!
একটা সময়, তুমি সব সিদ্ধান্তেই দ্বিধাগ্রস্থ হয়ে উঠবে। এটা কি ঠিক হবে? ওটা কি ঠিক হবে?
আমি প্রায়ই দেখি,
সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনেকেই অন্য আরেকটা মানুষের কাছে বুদ্ধি চায়!
প্রশ্ন করে,
আচ্ছা, ওর সাথে কি আমার সম্পর্কটা রাখা উচিৎ?
আমার প্রচন্ড হাসি পায়!
যে মানুষটার সাথে এতদিন থেকেও তুমি এই প্রশ্নের উত্তর পাওনি, সে মানুষটার সাথে যে এক মিনিটও থাকেনি, তার কাছে কেন উত্তর চাইতে যাও?
তোমার জীবনের সমস্যার সমাধান অন্য আরেকটা মানুষ করে দিবে, এটাতে লজ্জা লাগেনা?
বোকা হইয়ো না।
নিজেকে গুরুত্ব দাও! নিজের সিদ্ধান্তের মূল্যায়ন করো!
জীবনে সেল্ফ এপ্রিসিয়েশন থাকাটা ভীষন জরুরী!

Thursday, January 30, 2020

প্রত্যাশা শেষ হলে শান্তি শুরু হয় || peace begins when expectation ends


Image result for expectation"



এক্সপেক্টশন ব্যপারটাই আমার অপছন্দের!
একটা মানুষ আরেকটা মানুষের অনুমতি ব্যতিত তার কাছে কিছু একটা প্রত্যাশা করার পর ঠকে গেলে, সেই সমস্যাটা আসলে কার?
আমি একটা মানুষকে ভালোবাসি! আমি প্রত্যাশা করি, সে আমার যত্ন নিবে!
তিন বেলা খাওয়ার কথা মনে করিয়ে দিবে! ভীষন জ্বর হলে, মাথায় জলপট্টি দিয়ে দিবে!
ঘুমানোর আগে চুলে বিলি কেটে দিবে! আমাকেই সে তার একমাত্র প্রায়োরিটি বানাবে! আমার দিকে তাকিয়েই শুধু মুগ্ধ হবে!
তারপর একদিন আমার খেয়াল হয়,
আমি আসলে কিছুই পাচ্ছি না! আমার এক্সপেক্টেশনে ফ্রাসট্রাশন চলে আসে!
আমি কষ্ট পাই! আমার ঘুম হয়না! আমার মরে যেতে ইচ্ছে হয়!
আমার নিজেরে অসহায় লাগে! কান্না পায়! নিঃসঙ্গ মনে হয়!
এই সমস্যাটা কি আমি নিজেই সৃষ্টি করিনি?
আমাদের দুখঃ, কষ্ট, যন্ত্রনা, হতাসা, অপ্রাপ্তি সবকিছুই আসলে সৃষ্টি হয় প্রত্যাশা থেকে!
এক সময় আমি খুব সহজে মানুষকে বিশ্বাস করতাম! দু দিনের বন্ধুত্ব, তিন দিনের ভালোবাসায় আমার মনে হতো,
তারা আমার জন্য জীবনও দিয়ে দিবে!
তারপর একসময় টের পেলাম,
পৃথিবীতে কেউ কারো প্রত্যাশা পূরণের জন্য জন্ম নেয়নি! কারো জন্য কেউ বাঁচে না! প্রত্যেকটা মানুষ তার নিজের জন্য বাঁচে!
আমি যদি ভেবে থাকি, আমার তীব্র রকমের মন খারাপে কেউ আমার মাথায় হাত রেখে সান্ত্বনা দিবে! আমি যদি কল্পনা করি, আমার জ্বর হলে কেউ জলপট্টি দিয়ে দিবে, তাহলে এইসব প্রত্যাশা পূরন না হওয়ার দায়বদ্ধতা একান্তই আমার!
বিয়ের পর আমার স্বামী আমার দিকে মনোযোগ দেয়না! আমার স্ত্রী আমার যত্ন নেয়না!
আমার সন্তান আমার সমস্যা বুঝেনা! এতে আমি কষ্ট পাই!
আমার অভিযোগ জন্মায়! আমি অভিমান করি! আমার দাম্পত্য কলহ বাড়ে!
প্রতিবছর আমার জন্মদিনে আমি এমন একটা মানুষের উইস এর জন্য অপেক্ষা করি, যে কিনা জন্মদিনটাই মনে রাখে না!
এই শোকে আমার জন্মদিনের আনন্দটাই নষ্ট হয়ে যায়! আজকাল ওসব উইস প্রত্যাশাই করিনা, মন খারাপ ও হয়না!
প্রত্যাশার চেয়ে জঘন্য কোনকিছু পৃথিবীতে নেই!
তবুও, দিনশেষে মানুষ আসলে মানুষের প্রতি একটা এক্সপেক্টেশন রাখবেই!
এটাকে পরিবর্তন করার কোন সুযোগ নেই!
যেদিন আমরা কারো কাছেই কোন প্রত্যাশা করবো না, সেদিন ভালো থাকবো!
ঘুমাতে পারবো! বেঁচে থাকতে ইচ্ছে হবে! অভিযোগ থাকবেনা! অভিমান জন্মাবে না!
জীবনটাকে বিশ্রী রকমের সুন্দর মনে হবে!
কাউকে ভালোবাসলে ঠিক আছে! পাশাপাশি তার কাছ থেকে ভালোবাসা পাওয়ার প্রত্যাশা করে ফেললেই কষ্ট বাড়ে!
ব্যথারা বড় হয়!
হৃদপিন্ডে ক্ষতের জন্ম নেয়! অনিদ্রা বাসা বাঁধে চোখে! মাঝরাতে কান্না পায়!
ভালোবাসতে হয়, স্বার্থহীন হয়ে!
ভালোবেসে কিছু প্রত্যাশা করতে নেই!
প্রত্যাশা ছাড়াই কিছু পেয়ে গেলে, সেটা বোনাস! বোনাস পেলে ভালো, না পেলেও কষ্ট হবেনা!


Thursday, July 18, 2019

ব্যাক্তিত্ত্বের বিবর্তন -সময় যে চলে যায়...

কালের পরিবর্তন  পরিবর্ধন


বয়স বাড়ছে!
তারচেয়েও দ্রুত গতিতে বেড়ে চলেছে ব্যক্তিগত বিবর্তন!
সময় সবকিছু বদলে দেয়! যেমন করে বদলে যায় পরিচিত কন্ঠস্বর!
চায়ের টং দোকান! ভালোবাসার গান ! প্রকৃতির ঘ্রাণ! প্রিয় মুখ! প্রিয় মানুষ!
সময়ের সাথে বদলে যায় অনুভূতি! প্রেম! ভালোবাসা! সম্পর্ক!
এই তো কয়েক বছর আগেও অপেক্ষা ছিল! প্রিয় মানুষ ছিল! বুকের ভেতর হৃদপিন্ড ছিল! ভালোবাসা ছিল! বন্ধুত্ব ছিল!
এখন নেই। সবকিছু বদলে গেছে! চিন্তার পরিবর্তন এনেছে ম্যাচিউরিটি!
সময় একদিন হুট করে বদলে যায়!
মোড়ের টং দোকানের চায়ের স্বাদ পানসে লাগে! প্রেমিকার টেক্সট আসে না!
শহরে শহরে লাগানো থাকে ব্যক্তিগত হৃদপিন্ডের নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তি!
ভালোবাসা আত্মহত্যা করে দায়িত্ববোধের সামনে দাঁড়িয়ে!
প্রেম প্রেম প্রকৃতি পাখির কিচিরমিচির ভুলিয়ে দিয়ে আকাশ দেখায়!
যতটুকু আকাশ দেখি, ততোটুকুই শূন্যতা!
সময় বদলে যায়! আমিও বদলাই সময়ের পথ ধরে!
আমি হাটি! হোচট খাই! আবার ঘুরে দাঁড়াই! আবার হাটি!
আমার ফিরে যাওয়ার সুযোগ নেই বন্ধুর সাথে সিগারেট ভাগ করে খাওয়ার বয়সে!
আমার মাথার উপর দায়িত্বের ওজন বাড়ে! আমি নুয়ে পরি!
আমার মুক্তি পেতে ইচ্ছে হয়! আমি মুক্তির সন্ধান করতে করতে বুঝে যাই, এই ইঞ্জিনের শহরে দায়িত্বের দায়বদ্ধতা থেকে মুক্তি মিলবে না!
সময় বদলে যায় প্রতিদিন সকালে!
দুপুর দুটা বাজে ঘুম থেকে উঠা ছেলেটা অফিসের ব্যাগ নিয়ে লেগুনার পিছে ঝুলে থাকে সকাল আটটায়!
সময় বদলায়! তীব্র ভাবে বদলে যায় সবকিছু!
আমার মনে পরে সকালের ঘুম ঘুম চোখে আবছা লাগা ক্লাসরুম!
নতুন বইয়ের ঘ্রাণ! দু টাকার টিফিন! ময়লা ইউনিফর্মের শার্টের কলার!
আমার মনে পরে, খাবারের টাকা বিহীন একটা কুচকানো পকেট!
আমার মনে পরে, ১০ টাকার রিচার্জে ৪০ মিনিটের প্রেম!
সময় কি দ্রুত সব পাল্টে দেয়!
কারো জন্য ব্যথা লাগেনা! বুক ধরফর করেনা! কারো জন্য অপেক্ষা নেই!
অপরিনত বয়সে সাজিয়ে রাখা কল্পনার সংসার কখন ভেঙে গেছে, টের পাইনি!
একদিন হুট করে পেছনে তাকিয়ে দেখি বড় হয়ে গেছি! বড় মানে অনেক বড়!
সামনের পথে সাহারা আর পেছনে সুখ স্মৃতি! আমি পেছনে তাকিয়ে মন খারাপ করে সামনে যাই!
একবার এগিয়ে গেলে, পিছিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই!
বয়স বেড়ে যায়!
স্মৃতির পাল্লা ভারী হয়! শূন্যতার খাতায় পুরাতন নামের উপর ধূলাবালির আস্তরন পরে থাকে!
সময় কি ভীষন ভাবে বদলে দিয়েছে সব।
সকালের বাস! সন্ধ্যার ট্রাফিক জ্যাম! একটা মন খারাপের নিউজ পেপার!
টং এর চায়ের জায়গা নিয়েছে বিকেলের কফি!
আমি বড় হয়ে গেছি কখন, বুঝে উঠতে পারিনি!
মানুষ বড় হয় কেন, ঈশ্বর?😢

Friday, February 22, 2019

বন্ধু VS ভালোবাসা

   

 প্রেমিকের ক্ষেত্রে:: তোমার কিছু হলে আমি বাচতে পারবো না।।
    বন্ধুর ক্ষেত্রে:: আমি বেচে থাকতে তোর কিছু হতে দিবো না।।



 বন্ধু শব্দের আভিধানিক অর্থ সুহৃদ, মিত্র, সখা, স্বজন, প্রিয়জন, প্রণয়ী বা কল্যাণকামী ব্যক্তি। আর বন্ধুত্ব শব্দের আভিধানিক অর্থ সৌহার্দ্য, সখ্য, মৈত্রী ও বন্ধুতা। সুহৃদ শব্দের অর্থ বাংলা একাডেমীর অভিধানে রয়েছে উত্তম হৃদয়। মিত্র অর্থ ‘সখা’ আর সখা শব্দের অর্থ ‘সহচর’। প্রণয়ী শব্দের অর্থ ‘প্রেম পাত্র’ বা ‘ভালবাসার যোগ্য পুরুষ’। এক কথায় বলা যায় প্রেমিক।

একটু চিন্তা করলে বলা যায়, বন্ধু শব্দটি দু’টি বিষয়ের খুব কাছাকাছি দিয়ে যায়। একটি বন্ধুত্ব আর অন্যটি প্রেম। বন্ধুত্ব বলতে গিয়ে বলা যায়, দু’টি ভিন্ন মানুষের মাঝে ভিন্ন একটি হৃদয়। যদিও এটি একটি হালকা শব্দ মনে হয়। এর পরও এর ভাবার্থ অসাধারণ ও পবিত্র। দু’টি মানুষের মাঝে এক পবিত্রতম সম্পর্ক গড়ে তুলতে সাহায্য করে বন্ধুত্ব। আর এটিকে মানুষের জীবন থেকে আলাদা করে ভাবার কোন সুযোগ নেই। বন্ধুত্ব প্রত্যেকটি মানুষের জীবনের একান্ত অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে আদিকাল থেকে আজ পর্যন্ত।

সুন্দর ভাবে বেঁচে থাকতে কিছু মানুষের সার্বিক সহযোগীতার প্রয়োজন হয়। যারা মানুষের অনেক বড় বড় স্বার্থের উর্ধ্বে থাকে। একজন অন্যজনকে বেঁচে থাকতে সহায়তা করে। সমাজ বিজ্ঞানীরা বলেছেন, বন্ধু ছাড়া জীবন অসম্পূর্ণ। কোন মানুষ একাকী চলাফেরা করতে পারে না। যদিও বন্ধু নিয়ে অনেকের অভিজ্ঞতা সুখকর হয় না। যার কাছ থেকে প্রতারণা পাওয়া যায় সেতো বন্ধুই না।

➤বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মোহিত কামাল তার ’না’ বইয়ে লিখেছেন, বন্ধুতের নানা সঙ্কটের কথা। একজন মানুষ কিভাবে তিল তিল করে ভাল বন্ধু হয়ে ওঠে আবার তার কাছ থেকে সবচেয়ে বড় আঘাত পেয়ে থাকে। লেখক তার বইয়ে বন্ধুর নানা ব্যাখ্যা যেমনি করেছেন বলেছেন বন্ধুত্ব করার নানা দিক নিয়ে। তবে মোহিত কামালের লেখা দিয়ে সমাজের বাস্তব চিত্র বোঝা গেলেও সব বন্ধুর দ্বারা মানুষ প্রতারিত হয় না। আর যার দ্বারা প্রতারিত হয়, আবারও বলছি সে তো আসলেই বন্ধু না।

যদিও ডা. মোহিত কামাল দেখিয়েছেন বন্ধুত্বের মাঝে লুকিয়ে থাকা অপরাধচিত্র। একজন ঘৃন্য অপরাধি কিভাবে বন্ধু সেজে ছোবল বসাতে পারে। লেখক বিশ্লেষন করে বুঝিয়েছেন পুরো বিষয়টি। চারপাশে জালের মত ছড়ানো প্রতারণা থেকে মুক্তির কথাও বলেছেন তিনি।

➤অনেক আগে ইমদাদুল হক মিলনের লেখা একটি বই পড়েছিলাম ’বন্ধুবান্ধব’ নামে। সেখানে লেখক তার বন্ধুদের কথা যেভাবে লিখেছেন সেটা পড়ে ডা. মোহিত কামালের বই পড়ে যে হতাশায় পড়ে ছিলাম তা কেটে গেছে। অন্যদিকে বন্ধুদের সহযোগিতা মানুষকে কোথায় পৌঁছে দিতে পারে তাও বলেছেন ইমদাদুল হক মিলন।

তিনি বন্ধুবান্ধব বইটির ভূমিকায় লিখেছেন, 'জীবনের যে ক্ষেত্রে আটকে গেছি, সেখান থেকে আমার বন্ধুরা আমাকে হাত ধরে আমাকে পার করে এনেছে'। লিখেছেন, শৈশব, কৈশর, শিক্ষা ও কর্ম জীবনে বন্ধুর নানা গল্প। ২০৮ পৃষ্ঠার বইটিতে লিখেছেন বন্ধুর সাথে বন্ধুর আর সুখকর পথে চলার নানা স্মৃতি। এমন নানা গল্প আমাদের প্রত্যেকের জীবনে গাঁথা আছে। এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না, যে বন্ধু ছাড়া চলছে।

➤➤বন্ধু বলতে শুধু ভালবাসার মানুষের বন্ধু বোঝায় না। আগেই বাংলা একাডেমীর দেয়া অর্থ বলেছি। এটা অনেকটা বন্ধু আর প্রেমিক প্রেমিকার সাথে সাংঘর্ষিক। শব্দের অর্থের দিক থেকে। এর ব্যাখ্যা যদিও অনেক বড়। এ বিষয়ে বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর একটি লেখায় বলেছেন, 'বন্ধুত্ব ও ভালোবাসায় অনেক তফাৎ আছে, কিন্তু ঝট্ করিয়া সে তফাৎ ধরা যায় না। বন্ধুত্ব আটপৌরে, ভালোবাসা পোশাকী। বন্ধুত্বের আটপৌরে কাপড়ের দুই-এক জায়গায় ছেঁড়া থাকিলেও চলে, ঈষৎ ময়লা হইলেও হানি নাই, হাঁটুর নীচে না পৌঁছিলেও পরিতে বারণ নাই। গায়ে দিয়া আরাম পাইলেই হইল। কিন্তু ভালোবাসার পোশাক একটু ছেঁড়া থাকিবে না, ময়লা হইবে না, পরিপাটি হইবে। বন্ধুত্ব নাড়াচাড়া টানাছেঁড়া তোলাপাড়া সয়, কিন্তু ভালোবাসা তাহা সয় না।'


শুধু মেয়ে বন্ধুর জন্যেই মানুষের মন কাঁদে তা কিন্তু না। ছেলে বন্ধুর জন্যেও মন কাঁদতে পারে যদি তেমন বন্ধু হওয়া যায়। আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম কোলকাতা পৌঁছে কুমিল্লায় থাকা তার প্রিয় বন্ধু কাজী মোতাহার হোসেনকে নিয়ে যে চিঠি লিখেছেন তা দিয়ে বন্ধুত্বের অমর দৃষ্টান্ত স্থাপন করা সম্ভব। কবি তার বন্ধুকে সম্বোধন করে লিখেছেন, 'বন্ধু, তুমি আমার চোখের জলের মতিহার, বাদল রাতের বুকের বন্ধু। যেদিন এই নিষ্ঠুর পৃথিবীর আর সবাই আমায় ভুলে যাবে, সেদিন অন্ততঃ তোমার বুক বেঁধে উঠবে। তোমার ঐ ছোট্ট ঘরটিতে শুয়ে, যে ঘরে তুমি আমায় প্রিয়ার মত জড়িয়ে শুয়েছিল, অন্ততঃ এইটুকু স্বান্তনা নিয়ে যেতে পারবো, এই কি কম সৌভাগ্য আমার!!!' বন্ধুর প্রতি এমন অভিব্যক্তি পাওয়া গেলে আর কি চায় তার কাছে। প্রতিটি মানুষের জীবনে অনেক মুহূর্ত আসে যখন সে নিজেকে একা ভাবতে শুরু করে। সেই নি:ষঙ্গ সময়ে তার পাশে এসে দাঁড়ায় একজন ভাল বন্ধু। সে, মানুষটিকে সামনে অগ্রসর হতে, বেঁচে থাকতে আর আরও সুন্দরভাবে পথ চলতে সহায়তা করে।

বন্ধুর জন্য বন্ধুর দিন প্রতিদিন। দিনে-রাতে যখন প্রয়োজন তখন বন্ধুর সাথে দেখা ঘোরা আর চলতে পারা যায়। বন্ধুর সাথে চলতে চলতে চলতে কত মানুষ পথ হারিয়েছে। গন্তব্যহীন পথ চলেছে অনেকে। আবার এই বন্ধুই পথ দেখায় সামনে এগিয়ে যেতে। তাই বলা যায় জীবনে বন্ধুর অবদান অন্য কারো মত নয়। বন্ধুর বিকল্প বন্ধুই।


অনেকে বলে থাকেন বন্ধুত্ব ক্রমশ পরিবর্তিত হয়ে ভালোবাসায় উপনীত হতে পারে, কিন্তু ভালোবাসা নেমে অবশেষে বন্ধুত্বে এসে ঠেকতে পারে না। ক্রমে তার সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্ক স্থাপিত হতে আটক নেই। অর্থাৎ বন্ধুত্বের উঠবার নামবার স্থান আছে। কারণ, সে সমস্ত স্থান আটক করা থাকে না। কিন্তু ভালোবাসার উন্নতি অবনতির স্থান নেই। আর প্রেম যখন, সে থাকে তখন সে সমস্ত স্থান জুড়ে থাকে, নয় সে না থাকলে নাই। যখন সে দেখে তার অধিকার হ্রাস হয়ে আসছে তখন সে বন্ধুত্বের ক্ষুদ্র স্থানটুকু অধিকার করে থাকতে চায় না। যে রাজা ছিল সে ফকির হতে রাজি আছে, কিন্তু করদ জায়গীরদার হয়ে থাকবে কিরূপে? হয় রাজত্ব নয় ফকিরী, ইহার মধ্যে তার দাঁড়াবার স্থান নাই।

অনেকে বন্ধুত্ব আর ভালবাসাকে এক দৃষ্টিতে দেখে। মানে দুইটাকে একমনে করে। কেউ বন্ধুত্ব এক সময় ভিন্ন লিঙ্গ হলে প্রেম পর্যায়ে নিয়ে যায়। অর্থাৎ তারা এক সময় একেঅপরের প্রতি দূর্বল হয়ে যায় এবং বন্ধুত্বের সর্ম্পকে প্রেম পর্যায়ে নিয়ে যায়। এটা ঠিক নয়। এতে বন্ধুত্বকে অপমান করা হয়। বন্ধুত্বের সম্পর্ককে যদিও আপনি ভালবাসার সম্পর্কে পরিনত করেন তাহলে অনেক সমস্যা সৃষ্টি হবে। সর্ম্পকটা বেশীদিন টিকে থাকবে না। তাই পরিশেষে বলতে চাই বন্ধুর সম্মান বন্ধুত্ব দিয়ে আর ভালবাসার সম্মান ভালবাসা দিয়ে রক্ষা করতে হবে। বন্ধুত্ব এবং ভালবাসাকে কখনো এক দৃষ্টিতে দেখবেন না।

বন্ধুত্ব ও ভালবাসা তে অনেক তফাৎ আছে, কিন্তু ঝট্‌ করিয়া সে তফাৎ ধরা যায় না।

প্রেম সে হৃদয়ের ক্যানভাস এর প্রতিবিম্ব আর তাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা যায় বন্ধুত্তে নয়, প্রেম কে ঘিরে ভালোবাশার নতুন অধ্যায় শূরু হয় সেই জীবিনের একটা পরিণতি পায় কিন্তু  বন্ধুত্তে তা হয় না সারাজীবন একি চলমান স্কেলে  ।
ভালোবাসার মানুষ থাকে আলাদা অনুভুতি আলাদা আবেগ ।কখনো কখনও  বন্ধুত্তের দোহাইয়ে ভালবাসাএ অকাল মৃত্যু ঘটে ।
সত্তিকারের প্রেম কে নিয়ে সরা জীবন এক সাথে থকার কমিট্মেন্ট সুখ দুঃখ গুলোন ভাগাভাগি করে নেয়া একে অন্যকে বুঝা আর অটুট থাকা ঝড়েও বদলাব না তবে বন্ধুত্তে নিরভেজার সৌহার্দ আর কিছু না।
একটি ছেলে আর  মেয়ের মধ্যে যখন ভালোবাসার আবির্ভাব ঘটে তখন বন্ধুত্তের প্রাইওরিটি তফাৎ ঘোটে
অর্থাৎ দুই জনে সহযোগী হইয়া জগতের কাজ সম্পন্ন করা। আর, প্রেম বলিলে দুই জন ব্যক্তি মাত্র বুঝায়, আর জগৎ সসীম । দুই জনেই দুই জনের জগৎ। অতএব বন্ধুত্ব অর্থে দুই এবং তিন, প্রেম অর্থে এক এবং দুই।(রবী ঠাকুর)  

তাই বলতে  হয়তো বলতে হয় 
                                                ""বন্ধু বাচুক বন্ধুত্বে প্রেমিক বাচুক প্রেমে
                                    আলাদা গল্পঃ আলাদা থাকুক আলাদা আলাদা ফ্রেমে""

Sunday, November 26, 2017

ফেরারি দার্শনিক | শৈশব এর সারাংশ

                            শৈশব এবং অমি সারাংশ 

         

ভাবছিলাম রোজ কিছু না কিছু  লিখব। কিন্তু আজ দুপুরটা ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে কেটে গেল। আর সন্ধ্যাটা ব্যস্ততায়। ইনশাল্লাহ কাল থেকে চেষ্টা করব কিছু লেখার। শুনেছি ভালো লেখার জন্য নাকি বেশি পড়তে হয়। কিন্তু জানি না কেন যানি আমার পরতে ইচ্ছা হয় না কিছু, তাও চেষ্টা করি কিছু লিখার। আজ আমার মন মুক্ত বিহঙ্গে 🙌  যা ইচ্ছা তাই লিখব !😆😆😆

                                                      শৈশব  

⏩ ছোটবেলাকে খুবই মিস করছি। আনন্দমেলা, শুকতারা বা আমিত্বর জন্য কত পাগলামীই না করেছি। বাবার শাসন বারণ মেলেটারির মত,বড্ড বেশই ভয় পেতাম তবুও দুষ্টামি কমতনা, যখন কাঠ ঘড়ায় দার করিয়ে সব বিচর করত তখন নিষ্পাপ বান্দার মত হইয়ে যেতাম। আর পিটনির কথা কি আর বলব কত যে মাইর খাইছি কারণে অকারণে 😥তার হুদিস নেই। বৃষ্টিতে ভিজতে, অথবা পুকুরে গা ভিজানো ছিল নিত্য নতুন শখ কিন্তু কোন দিন এই শখ পুড়ন হয় নাই বাবার শাসনের ভঁয়ে।আমার মা ছিল আমার বেষ্ট ফ্রেন্ড সব কিছু শেয়ার করতাম তার কাছে আমাকে কোন দিন শাসন কি জিনিস তার কাছে পাই নাই, আমর আমার ঢাল হিসেবে কাজ করত সময়।
পড়াশোনা বেশী একটা করতাম না, আবার খেলাধুলাতেও মন ছিল না 😊 আমার জীবনের চার্মিং কোন মোমেন্ট নাই যে শেয়ার করার মত। বাবা চেয়েছিলেন আদর্শবান বানাতে সেই প্রচেষ্টায় আছি এখনো। আইডিয়াল চরিত্রকে কতটাই না আপন করে নিয়েছিলাম। খেলাধুলা ছেড়ে ভাল লাগত একা একা বসে নিজের সাথে সময় কাটাতে অনুহাত বন্ধু বাব্ধব এর সাথেও কখনো মজ মাস্তি আড্ডা হয় নাই কখনো। ছোট থেকে আমার জানার আগ্রহ ছিল বেশি। ইচ্ছা ছিল অনেক নিজেকে নিয়ে অনেক দুর। স্বপ্ন দেখটাম অনেক কত স্বপ্ন গড়েছি ভেঙ্গেছে তবুও হাল ছারিনি। এই স্বপ্ন দেখা শিখছি আমার কঠোর বাবার কাছ থেকে। কঠোর বল্লাম শাসন করত বলে কিন্তু আজ বুজতে পারছি কেন এসব করেছে। শাসন করলেও আমার প্রচণ্ড ভালবাসত এই মানুষটা আমার কিছু হলে আমার থেকে অনেক বেশী সিরিয়াস হতে দেখেছি, তখনি বুজেছি কতটা ভালবাসা আমার জন্য। আই লাভ ইউ বাবা 💛  
"সত্যি কথা বলতে সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মনিয়েছি। কোনদিন কষ্ট আমাকে ছুতে পারেনি ,কিন্তু যতই বর হচ্ছি ততই কষ্টের ভার বেরে যাচ্ছে এটাই জীবন। কষ্ট ছারা জীবন উপভোগ করা যায় না তাই সংগ্রাম করে বাচতে হবে" 

⏯ এখন নিজেকে নতুন ভাবে উপস্থাপনা করার প্রচেষ্টায়। আমি দেখেছি ছোটবেলায় সব কিছুতে যত আনন্দ পাওয়া যায় যৌবন আসার পরে আর তেমন ভাবে আনন্দ পাওয়া যায়না। এখন আর আগের মত ইচ্ছা করলেও মুক্ত আকাশে ঘুড়ি উড়ানো যায় না। বলা যায় না সব কথা সবাইকে, করা যায় না সব কাজ জানা হয় না কোন কিছু আগের মত। আগের সে আগ্রহ আর নাই। এখন আগ্রহ থাকলেও টাইম কে আর সময় দিতে পারি না।😁খুব মিস করি শৈশব কে !!😭😭😭😭